ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন যেসব তারকা ক্রিকেটার

জুবায়ের সাজিদ
জন্মের সাথে সাথে সব মানুষ উত্তরাধিকার সূত্রে বাপ-দাদার ধর্মের অনুসারী হয়। ক্রিকেট বিশ্বে এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন যারা মুসলমানদের কৃষ্টি কালচার,পরিশুদ্ধতাকে ভালোবেসে স্বধর্ম ত্যাগ করেছেন। আজ জানবো এমনই কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার সম্পর্কে।

মোহাম্মদ ইউসুফঃ পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফকে চিনেন না এমন লোক কমই পাওয়া যাবে। পাকিস্তান ক্রিকেটের উজ্জ্বল নক্ষত্র ২০০৫ সালে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইউসুফ ইয়োহানা থেকে তিনি নিজেই নাম পরিবর্তন করে মোহাম্মদ ইউসুফ রাখেন। জাতীয় দলের তার সতীর্থ ও বন্ধু সাইদ আনোয়ারের পারিবারের সুন্দর, শান্তিপ্রিয়, শৃঙ্খলা তাকে ভাবিয়ে তুলে। ৩১ বছর বয়সে ইসলাম ধর্মে অনুপ্রাণিত হয়ে স্ব-ইচ্ছায় মুসলমান হয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।এক সাক্ষাৎকারে জানান এরপর থেকে তিনি অন্যরকম শান্তি অনুভব করতে থাকেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রায় ১৭০০০ রান ও ৩৯ টি সেঞ্চুরি রয়েছে তার।

ওয়েন পার্নেলঃ ২০১১ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন পার্নেল। তিনি জানান কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয় বরং দীর্ঘসময় অধ্যয়ন করার পর এই স্বীদ্ধান্ত নেন।এরপর তিনি নাম পরিবর্তন করে রাখেন ওয়েন ওয়ালীদ পার্নেল।

মাহমুদুল হাসানঃ বিকাশ রঞ্জন দাস ছিলেন বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট দলে খেলা পেসার।মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়া এ ক্রিকেটার ২০০৪ সাথে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়ে যান। ছোটবেলা থেকেই ইসলাম ধর্মের অনুরাগী হওয়ার কারণে তিনি এই ধর্ম গ্রহণ করেন। বইপড়ে তিনি ইসলাম সম্পর্কে জেনেছেন। বাংলাদেশের একমাত্র ধর্মান্তরিত ক্রিকেটার তিনি। রাজিন সালেহ ও আকরাম খানদের কাছ থেকে নিয়েছেন অনেক ধর্মীয় দীক্ষা।

বিয়র্ন ফরচুইনঃ সম্প্রতি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন প্রোটিয়া ক্রিকেটার ফরচুইন। নিজের ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তিনি। তার স্ত্রী আগে থেকেই ইসলাম ধর্মের অনুসারী। তিনি তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ইমাদ। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১ টি ওয়ানডে ও ৭ টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ইমাদ। সদ্য শেষ হওয়া পাকিস্তানের সাথে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলেছেন তরুণ এ ক্রিকেটার।

Related Articles

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles