মুলতানে স্মৃতিবিজড়িত সাকিব-মাশরাফির পার্টনারশিপ রেকর্ড!

যারিণ আক্তার:
১৬ই এপ্রিল ২০০৮ অর্থাৎ আজ থেকে ১৩ বছর আগে আজকের এই দিনে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ৫ ম্যাচের ওডিআই সিরিজের এটি ছিলো ৪র্থ ম্যাচ। মুলতান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

মাঠে নামতে নামতেই পরপর ৪ টি উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের। ১.৩ ওভারে ৩ বলে ০ রান নিয়ে ফেরত যান জুনায়েদ সিদ্দিকী। মাত্র ২ বলের ব্যবধানে আরও এক উইকেটের পতন। ২ বলে ০ রান নিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আফতাব আহমেদ। ২.৬ ওভারে ১২ বলে ১০ রান করে আউট হন তামিম ইকবাল। দলের সংগ্রহ তখন ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০ রান। ৫.৫ ওভারে আবারও এক উইকেট তুলে নেয় পাকিস্তানি বোলার। এবার প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন অধিনায়ক আশরাফুল। ১১ বলে ৪ রান করে ওমর গুলের কাছে পরাস্ত হন। মাঠে তখন ছিলেন সাকিব আল হাসান। আশরাফুলের উইকেটের পরে সাকিবকে সঙ্গ দিতে মাঠে নামে মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু মুলতান বোলারদের তোপে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি তিনিও।

সেদিন ২৮ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। ফরহাদ রেজা ১৭ বলে ১৪, ধীমান ঘোষ ৪ বলে ০ এবং আব্দুর রাজ্জাক ২৪ বলে ৭ রান নিয়ে পাকিস্তানি বোলারদের কাছে পরাস্ত হন। নবম উইকেটে ব্যাটিংয়ে নামেন মাশরাফি। তখন মাঠে ব্যাটিং জাদু দেখাচ্ছিলেন সাকিব। সাকিবের সংগ্রহ তখন ৬৯ বলে ৫৩ রান। শোয়েব মালিকের বলে ২ রান নিয়ে ১১৫ বলে ১০২ রান করে নিজের ওডিআই ক্যারিয়ারের ২য় শতক পূরণ করেন তিনি। ৪৭.২ ওভারে ৬৭ বলে ৩৮ রান করে আসিফের বলে আউট হন মাশরাফি।

এর আগেই নবম উইকেট জুটিতে ৯৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সাকিব–মাশরাফি। বাংলাদেশের জন্য এটিই ছিল নবম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। এই ম্যাচটিতে সাকিবের অবদান ১২০ বলে ১০৮ রান। কিন্তু ৪৯.১ ওভারেই বাংলাদেশের সবগুলো উইকেটের পতন ঘটে যায়। ফলে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাড়ায় ২১০ রান।

পাকিস্তান অবশ্য অনায়াসে জিতে নেয় ম্যাচটি। ৩৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জিতেছিল তারা। অবশ্য ওই ওডিআই সিরিজের ৫টি ম্যাচেই বড় ব্যবধানে পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles